
Lakshmir Bhandar Status Check : পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারের ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রাম গুলির মধ্যে একটি হলো লক্ষী ভান্ডার প্রকল্প। যা সর্বোচ্চ বৃহৎ আকারের ও গুরুত্বপূর্ণ একটি উদ্যোগ যেটি পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকার ২০২১ সালে চালু করেছিলেন। সরকারি অনুদান প্রদানের মাধ্যমে মহিলাদের ক্ষমতায়ন এবং আর্থিকভাবে স্বাবলম্বন করায় ছিল এই প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য। সমাজকল্যাণ বিভাগ এবং মহিলা ও শিশু উন্নয়ন এর অধীনে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত করা হয়েছে।
New Update :রাজ্যের মহিলাদের জন্য সুখবর সুখবর, এবার লক্ষ্মী ভান্ডারের টাকা পরিমাণ বাড়তে পারে সরকার। ১লা এপ্রিল ২০২৬ থেকে লক্ষীর ভান্ডারের টাকা বৃদ্ধি করতে পারে রাজ্য সরকার। প্রত্যেক তপশিলি জাতি ও প্রজাতির (ST/SC) মহিলারা যারা মাসে ₹1200 টাকা পেতেন তারা 1800 টাকা করে পেতে পারেন। এবং অন্যান্য শ্রেণীর (General / OBC) মহিলারা যারা মাসে ₹1000 টাকা করে পেতেন তারা 1500 টাকা করে পেতে পারেন। আর্থিক সহায়তা লাভ পেতে পারেন
নতুন অর্থবর্ষে লক্ষীর ভান্ডারের টাকা পরিমাণ ভবিষ্যতে বাড়তে পারে সরকার অর্থাৎ ১লা এপ্রিল ২০২৬ থেকে ₹১০০০ টাকা নয় ₹১৮০০ টাকা করে হতে পারে। অর্থাৎ সাধারণ শ্রেণীর মহিলাদের লক্ষ্মীর ভান্ডারের ভাতার টাকা ₹১০০০ টাকা থেকে বেড়ে ₹১৮০০ টাকা করে হতে পারে। এবং তপশিলি জাতি উপজাতি মহিলাদের ₹১২০০ টাকা থেকে বেড়ে ₹২০০০ টাকা করে হতে পারে। এর ফলে রাজ্যের ২ কোটি ১১ লক্ষ মহিলা উপকৃত হবেন।
লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্প কি ? / What is Laxir Bhandar Project ?
পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যেকটি পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক মহিলা সদস্যদের জন্য মাসিক নুন্যতম অর্থ সহায়তা প্রদান করার জন্যই এই লক্ষী ভান্ডার প্রকল্প। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 30শে জুলাই 2021 সালে এই লক্ষী ভান্ডার প্রকল্প চালু করেন। ২০২৬ সালে এই প্রকল্পের জন্য দুয়ারে সরকার ক্যাম্পের মাধ্যমে আবেদন করা যাচ্ছে।
✅🔥 আরো গুরুত্বপূর্ণ আপডেট🔥✅ Passport Application 2026 – পাসপোর্ট তৈরির নিয়মে বড় পরিবর্তন, এই ডকুমেন্টস না থাকলে পাসপোর্ট হবে না।
১লা এপ্রিল ২০২৬ থেকে পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যেক তপশিলি জাতি ও প্রজাতির মহিলারা (ST/SC) মাসে ₹2000 টাকা করে এবংঅন্যান্য শ্রেণীর মহিলারা(General / OBC) মাসে ₹1800 টাকা করে আর্থিক সহায়তা লাভ করতে পারেন এই প্রকল্পের অধীনে। যা তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি ট্রান্সফার করা হয়। এই লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ১.৬ কোটি পরিবার পরিবারের মহিলাদের আর্থিক ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। আজকের এই প্রতিবেদনটি পড়ার পর আপনি এই লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের (Lakshmir Bhandar Scheme) সঠিক তথ্য জানতে পারবেন। কারণ লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের বেশ কিছু নিয়ম পরিবর্তন হয়েছে। Lakshmir Bhandar Status Check
২০২৬সালে লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পে আবেদন করতে কি কি লাগবে? এই লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের নতুন নিয়ম কি রয়েছে? ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ আপডেট এই প্রতিবেদনে আজকে জানতে পারবেন।

লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের উদ্দেশ্য কি
রাজ্যে এমন অনেক মহিলা রয়েছেন যারা অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর নন এবং শুধুমাত্র গৃহ কাজেই যুক্ত। তাদের পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকার এই লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের মাধ্যমে সেই সমস্ত মহিলাদের আর্থিক স্বাবলম্বী ও তাদের পরিবারের মৌলিক আয় সংস্থান করার জন্যই প্রধান উদ্দেশ্য। এই আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের মহিলারা তাদের দৈনন্দিন কাজকর্ম করতে সক্ষম হবেন। যা মহিলাদেরকে আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে সাহায্য করবে।Lakshmir Bhandar Status Check
লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের নতুন নিয়ম কি / Lakshmir Bhandar Status Check
লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের সম্বন্ধে নতুন নিয়ম গুলি চলতি ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসেই এসেছে যেগুলি নিচে উল্লেখ করা হলো
- লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের (Lakshmir Bhandar) আবেদন আর কোন নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নয়। এখন সারা বছরই এই প্রকল্পে আবেদন করা সম্ভব।
- লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের আবেদন এখন শুধুমাত্র দুয়ারে সরকার থেকে নয়, এবার থেকে শহর এলাকার ক্ষেত্রে এসডিও অফিসে এবং গ্রামীন এলাকার ক্ষেত্রে বিডিও অফিসে ও কলকাতা নাগরিকদের পৌরসভা অফিসে গিয়ে এই প্রকল্পের আবেদন করা যাবে।
- লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের জন্য পূর্বে আবেদনকারীদের স্বাস্থ্য সাথী কার্ড থাকা বাধ্যতামূলক ছিল, তবে বর্তমানে এই কার্ড ছাড়াই আবেদনকারীরা এই প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
- লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের উপভোক্তাদের ৬০ বছর বয়স হওয়ার পর নিজে থেকেই এই লক্ষীর ভান্ডারের অনুদান বন্ধ হয়ে যাবে এবং বার্ধক্য ভাতা অনুদান চালু হয়ে যাবে। সে ক্ষেত্রে প্রত্যেক উপভোক্তাই ₹১০০০ টাকা করে পাবেন।
- এই লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের নতুন সুবিধাভোগীদের সংখ্যা হল 9 লক্ষ 5 হাজার 265 জন অর্থাৎ লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের মোট উপভোক্তার সংখ্যা হল ২ কোটি ৭ লক্ষ ৪২ হাজার ৩০১ জন।
- ভবিষ্যতে লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের আবেদন অনলাইনের মাধ্যমেই ব্যবস্থা করা হবে।
✅🔥 আরো গুরুত্বপূর্ণ আপডেট🔥 ration card aadhar link (2026) – আধারের সঙ্গে রেশন কার্ড লিঙ্ক করার সময়সীমা বাড়ল, ঘরে বসেই করুন রেশন কার্ড আধার লিঙ্ক, জানুন কীভাবে ?
২০২৬ সালে লক্ষ্মী ভান্ডার প্রকল্পের বিবরণ
২০২৬ সালের লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিচে দেওয়া হল:-
| যোজনার নাম | লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্প |
|---|---|
| লাভবান | পশ্চিমবঙ্গের সকল মহিলারা |
| বয়স সীমা | ২৫ থেকে ৫৯ বছর |
| অনুদানের পরিমাণ | ১লা এপ্রিল ২০২৬ থেকে লক্ষীর ভান্ডারের টাকা বৃদ্ধি করতে চলেছে রাজ্য সরকার। মাসিক ₹১০০০ টাকা থেকে বেড়ে₹১৮০০ টাকা (তপশিলি জাতি ও উপজাতির) মহিলাদের। এবং মাসিক ₹১২০০ টাকা থেকে বেড়ে ₹২০০০ টাকা (ওবিসি এবং সাধারণ শ্রেণী) মহিলাদের। |
| উদ্যোক্তা | পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকার |
| শুরুর সময় | 30শে জুলাই 2021 সালে |
| প্রকল্পের বাজেট | ₹১২,৯০০ কোটি টাকা |
| দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভাগ | পশ্চিমবঙ্গের মহিলা ও শিশু উন্নয়ন এবং সমাজকল্যাণ বিভাগ |
| আবেদন পদ্ধতি | দুয়ারে সরকার ক্যাম্প, বিডিও অফিস, এসডিও অফিস এবং পৌরসভা অফিস। |
| অফিসিয়াল ওয়েবসাইট | https://socialsecurity.wb.gov.in |
| স্ট্যাটাস চেক | Track Application Status / Lakshmir Bhandar Status Check |
| স্কিমের জন্য আবেদন করুন | সক্রিয় 2026 |
| দ্বারা প্রবর্তিত | পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় |
লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের সুবিধা কারা পাবেন
পশ্চিমবঙ্গের যেকোনো পরিবারের মহিলারা যাদের বয়স ২৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে এবং যারা কোন সরকারি বা সরকারি নির্ধারিত যে কোন সংস্থা থেকে, বা কোন বেসরকারি সংস্থা থেকে চাকরি করে নিয়মিত মাসিক অর্থ উপার্জন করেন তারা এই প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারবেন না। অর্থাৎ রাজ্যের যে সমস্ত মহিলারা সরকারি বা বেসরকারি কোন কাজ করেন না বা কোনরকম অর্থ উপার্জন করে না, শুধুমাত্র বাড়ির কাজকর্ম করেন এবং যাদের স্থায়ী কোন উপার্জন নেই তাদের জন্য এই লক্ষী ভান্ডার প্রকল্প।
✅🔥 আরো গুরুত্বপূর্ণ আপডেট🔥 Paytm Revolutionizing Digital Payments in India – Paytm ভারতে ডিজিটাল পেমেন্টে বিপ্লব ঘটাচ্ছে
কারা কারা লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারবেন না?
এই লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের সুবিধা চাইলেও কিছু মহিলার নিতে পারবেন না। তারা হলেন যারা সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন সংস্থায় চাকরি করেন অথবা সরকারি কোন চাকরি করেন, এছাড়াও পঞ্চায়েত বিধিবদ্ধ কোন সংস্থা বা পৌরসভা, পৌর শাসিত সংস্থা অথবা সরকারি পোষিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইত্যাদিতে চাকরি করে মাইনে পেয়ে থাকেন। এর পাশাপাশি যে সকল মহিলারা ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন দিয়ে থাকেন তারা কোনভাবেই এই প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন না। socialsecurity.wb.gov.in lakshmi bhandar,
লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের টাকার পরিমান কত?
পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকার এই লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পটিকে দুইটি বিভাগে ভাগ করেছেন। অর্থাৎ এই প্রকল্পের জন্য পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকার ১০০০ টাকা এবং ১২০০ টাকা করে প্রতি মাসে মহিলাদেরকে আর্থিক সাহায্য দিয়ে থাকে। ১২০০ টাকা ও ১০০০ টাকা কারা পাওয়ার যোগ্য চলুন জেনে নেওয়া যাক।
১) তপশিলির উপজাতির অন্তর্ভুক্ত মহিলারা পাবেন প্রতি মাসে ₹১,২০০ টাকা করে।
২) তপশিলি জাতির অন্তর্ভুক্ত মহিলারা পাবেন প্রতি মাসে ₹১,২০০ টাকা করে।
৩) অন্যান্য জেনারেল ও ওবিসি শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত মহিলারা পাবেন প্রতি মাসে ₹১,০০০ টাকা করে।
| শ্রেণি | টাকার পরিমান |
|---|---|
| তপশিলি উপজাতি | প্রতিমাসে ₹১,২০০ টাকা করে |
| তপশিলি জাতি | প্রতিমাসে ₹১,২০০ টাকা করে |
| অন্যান্য জেনারেল ও ওবিসি শ্রেণীর | প্রতি মাসে ₹১০০০ টাকা করে |
✅🔥 আরো গুরুত্বপূর্ণ আপডেট🔥 Wb Ration Card (2026) – এবার পশ্চিমবঙ্গ রেশন কার্ড পাবেন প্রধানমন্ত্রী ছবিওয়ালা ব্যাগ !
লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের প্রয়োজনীয় নথি কি কি
এই লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পে আবেদন করতে কি কি কাগজপত্র লাগবে চলুন জেনে নেওয়া যাক। কারণ এই কাগজপত্রের উপরে নির্ভর করবে আপনার এই প্রকল্প হবে কিনা। ২০২৪ সালে লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের নিয়মে কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। তো চলুন জেনে নেওয়া যাক লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পে আবেদন করতে কি কি কাগজপত্র লাগবে।
পশ্চিমবঙ্গে লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের আবেদনর ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত নথিগুলির প্রয়োজন
১) আধার কার্ডের জেরক্স কপি।*
২) স্বাস্থ্য সাথী কার্ডের জেরক্স কপি।*
৩) ST/SC দের জন্য কাস্ট সার্টিফিকেট এর জেরক্স কপি। (যদি থাকে)
৪) ব্যাঙ্ক পাস বইয়ের প্রথম পৃষ্ঠার জেরক্স কপি। আবেদনকারীর নিজের নামে ব্যাংক একাউন্ট থাকতে হবে।*
৫) একটি মোবাইল নম্বর।*
৬) আবেদনকারীর পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ছবি ।*
৭) একটি লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের আবেদনকারীর স্বাক্ষরিত আবেদন পত্র।*
৮) ইনকাম সার্টিফিকেট অথবা রেসিডেন্টিয়াল সার্টিফিকেট।*
লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের জন্য উপরে যে কয়টির পাশে স্টার * মার্ক দেওয়া রয়েছে সেগুলি বাধ্যতামূলক লাগবে। এবং ৩. কাস্ট সার্টিফিকেট না থাকলে ১,০০০ টাকা করে পাবেন। ২. আগে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড বাধ্যতামূলক ছিল তবে ২০২6 সালে লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের আবেদন করা জন্য স্বাস্থ্য সাথী কার্ড বাধ্যতামূলক নয়। Lakshmir Bhandar Status Check

২০২৬ সালে লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের ফরম ফিলাপ / Lakshmir Bhandar Form,
২০২৬ সালে লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের আবেদন শুধুমাত্র অফলাইনেই করা সম্ভব। অর্থাৎ এই প্রকল্পের আবেদন শুধুমাত্র দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে, বিডিও অফিস, এসডিও অফিস, মিউনিসিপালিটি অফিসের মাধ্যমে করা যাবে।
° যে সমস্ত মহিলারা এই লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পে আবেদন করতে ইচ্ছুক তারা এই লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পে আবেদনের জন্য আবেদনপত্র, দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে, বিডিও অফিস, এসডিও অফিস বা মিউনিসিপালিটি অফিসের মাধ্যমে বিনামূল্যে পাওয়া যাবে। অথবা সরাসরি অনলাইন থেকে ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন লক্ষীর ভান্ডার ফ্রম। Lakshmir Bhandar Form.
° আবেদনপত্র যথাযথভাবে পূরণ করে প্রয়োজনীয় নথির জেরক্স কপি সহ (উপরের দেওয়া নথির লিস্ট অনুযায়ী) দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে বা বিডিও অফিস, এসডি অফিস বা মিউনিসিপালিটি অফিসে জমা দিতে হবে।
° আবেদনপত্র জমা হওয়ার পর তা অনুমোদিত সরকারি কর্ম কর্তাদের দ্বারা যাচাই করা হবে। এবং যোগ্য আবেদনকারীদের তালিকায় পোর্টালে নাম তোলা হবে। এরপরে এই প্রকল্পের অনুদানের অর্থ উপভোক্তাদের আধার সংযুক্ত ব্যাংক একাউন্টে সরাসরি ট্রান্সফার করা হবে।
দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে এই লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পে আবেদন করলে এবং উপরের বলা পদ্ধতি ও নথি জমা করেন তাহলে অবশ্যই এই প্রকল্পের টাকা পাবেন।
FAQ – লক্ষ্মীর ভান্ডার কে প্রতিষ্ঠা করেন,
Answer – পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
লক্ষীর ভান্ডার স্ট্যাটাস চেক ২০২৬ / Lakshmir Bhandar Status Check 2026
Lakshmir Bhandar Status Check : লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের আবেদন বা টাকা পাওয়ার স্ট্যাটাস এতদিন চেক করা যেত না কিন্তু এবার থেকে এই প্রকল্পে স্টাটাস অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে চেক করা সম্ভব। লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পে স্ট্যাটাস চেক করলে দেখতে পাবেন আপনার নাম অ্যাপ্লিকেশন আইডি বেনি ফিসিয়ারি আইডি এবং লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের পেমেন্টের যাবতীয় তথ্য।
লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের টাকা ও আবেদনের স্থিতি চেক করার জন্য প্রথমে আপনাকে মোবাইল বা কম্পিউটারের যেকোনো একটি ব্রাউজার ওপেন করে লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের এই অফিশিয়াল ওয়েবসাইটটি আসতে হবে।
° অফিসিয়াল অফসাইটে ওপেন হওয়ার পর নিচের দিকে দেখতে পাবেন টেক অ্যাপ্লিকেশন স্ট্যাটাস (Track Application Status) এই অপশনে ক্লিক করুন। ক্লিক করলেই নতুন একটি পেজ ওপেন হবে।

° এবার নতুন পেজে দেখতে পাবেন টেক অ্যাপ্লিকেশন এন্ড ভিউ পেমেন্ট স্টাটাস (Track Applicant & View Payment Status) এ অপশনে অ্যাপ্লিকেশন আইডি মোবাইল নাম্বার স্বাস্থ্য সাথী কার্ড আধার (Enter Application Id/Mobile No./Swasthyasathi Card No./Aadhaar No.)এগুলির মধ্যে যে কোন একটি নাম্বার দিয়ে ক্যাপচার জায়গায় ক্যাপচার বসিয়ে সার্চ (Search) অপশনে ক্লিক করতে হবে।
° ক্লিক করলেই আপনার সামনে আপনার লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের অ্যাপ্লিকেশন স্ট্যাটাস (Application Status) এবং পেমেন্ট স্ট্যাটাস (Payment Status) চলে আসবে। যেখানে আপনার নাম,(Name) বেনি ফিসারি আইডি (Beneficiary ID) ও বেনিফিসারি অ্যাপ্লিকেশন নাম্বার (Beneficiary Application Number) দেখতে পাবেন।
° নিচে আপনার নামের উপর ক্লিক করলেই দেখতে পাবেন আপনি লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের টাকা কোন কোন মাসে পেয়েছেন বা আগামী কোন মাসের টাকা পাবেন সমস্ত তথ্যই দেখতে পাবেন। Lakshmir Bhandar Status Check
লক্ষ্মীর ভান্ডার টাকা কবে ঢুকবে ২০২৬
Lakshmir Bhandar Status Check লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পে আবেদন করেছেন অথচ অনেক উপভোক্তা আছেন যারা এখনও টাকা পাননি। এই প্রকল্পের টাকা ঢোকার ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তার নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
তবে লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের আবেদনকারীরা টাকা পাবেন কিনা, তা নিশ্চিত জানতে আবেদনকারীকে অবশ্যই স্ট্যাটাস চেক (Lakshmir Bhandar Status Check)করতে হবে সেক্ষেত্রে কোন স্ট্যাটাসে কি অর্থ বোঝায় তা নিচে বিস্তারিত দেওয়া রয়েছে দেখে নিন
লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের ব্যাংক একাউন্ট স্ট্যাটাস
| লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের স্ট্যাটাস Lakshmir Bhandar Status Check | অর্থ কি এবং কি কি করতে হবে ? what is the meaning And what to do? |
|---|---|
| Bank Account Status: Validation Error | ব্যাংকে গিয়ে অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধারের তথ্য যেমন নাম ঠিকানা ইত্যাদি মিলিয়ে দেখতে হবে প্রয়োজনে বিডিও অফিসে জানাতে হবে। |
| Bank Account Status: Validation Error Account Validation Error: No Such Account | প্রথমত ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি সিঙ্গল অ্যাকাউন্ট হতে হবে, এছাড়াও ব্যাংক একাউন্টের সঙ্গে ই কেওয়াইসি আছে কিনা তা ব্যাংকে গিয়ে জানতে হবে। এবং সমস্ত তথ্য মিলিয়ে দেখতে হবে। প্রয়োজনে ব্যাংকের ও ইকুয়াইসির তথ্য নিয়ে ভিডিও অফিসে যেতে হবে। |
| Bank Account Status: Validation Error Account Validation Error: Mark Pending | অনলাইন ট্রানজেকশনের ক্ষেত্রে কিছু বিডি নিচে থাকলে বা অন্য কোন কারণে এই স্ট্যাটাস দেখতে পেলে এক্ষেত্রে আপনাকে ব্যাংকে জানাতে হবে। |
| Bank Account Status: Ready for Account Validation | ব্যাংক একাউন্টে যাচাই প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে এবং উপভোক্তাকে কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। |
| Bank Account Status: validation Lot Generated Yet to Receive Validation Response from Bank | এটি ব্যাংক একাউন্টের যাচাই করনের একটি ধাপ এক্ষেত্রে উপভোক্তাকে কিছু করতে হবে না তবে কিছুদিন পর আবার স্ট্যাটাস চেক করতে পারেন। |
| Bank Account Status: Validation Success : Ready for Payment | ব্যাংক একাউন্টের যাচাইকরণের প্রক্রিয়া হয়ে গেছে এবং উপোক্তারা এবার থেকে লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের টাকা পাবেন। |
লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের পেমেন্ট স্ট্যাটাস : Lakshmir Bhandar Status Check
| Payment process Yet to Start | নতুন উপভোক্তারা অর্থাৎ যারা প্রথমবার অর্থ পেতে চলেছেন তারা এই স্ট্যাটাস দেখতে পাবেন |
| Payment Under Process | সেই এই মাসের অর্থ প্রদান এখনো শুরু হয়নি তবে তা শীঘ্রই শুরু হবে। |
| Payment success | অর্থ প্রদান করা হয়ে গেছে |
লক্ষীর ভান্ডার মোবাইল নাম্বার দিয়ে চেক / Check with Lakshmi Bhandar Mobile Number
লক্ষীর ভান্ডার মোবাইল নাম্বার দিয়ে চেক : লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের উপভোক্তারা এখন খুব সহজেই তাদের আবেদনের স্ট্যাটাস বা সরকারি অনুদানের টাকা পাওয়ার স্ট্যাটাস মোবাইল নাম্বার দিয়ে খুব সহজে চেক করে নিতে পারবেন। আবেদনকারী (Lakshmir Bhandar Status Check) স্ট্যাটাস চেক এর মাধ্যমে দেখতে পাবেন কবে ও কোথায় লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের ফর্মটি জমা করেছেন, কবে তা ভেরিফিকেশন বা যাচাই করণ করা হয়েছে এবং কবে তা অনুমোদিত হয়েছে তার তারিখ সহ সম্পূর্ণ বিবরণ উল্লেখ করা থাকবে।
লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পে উপভোক্তার ব্যাংক একাউন্টে টাকা পাঠানো হলে তা নিচের পেমেন্ট স্ট্যাটাস অংশে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর ও আইএফসি কোড সহ কোন কোন মাসে টাকা পাঠানো হয়েছে উপভোক্তার ব্যাংক একাউন্টে তা উল্লেখ করা থাকবে।
লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পে স্ট্যাটাস নিম্নলিখিত পদ্ধতিতে চেক করতে পারবেন
১) প্রথমে আপনাকে মোবাইলে যে কোন একটি ব্রাউজার ওপেন করে নিতে হবে। এরপর লক্ষ্মী ভান্ডারে অফিসিয়াল এই https://socialsecurity.wb.gov.in ওয়েবসাইটটি ওপেন করতে হবে।
২) এরপর হোম পেজের নিচের দিকে ট্রাক অ্যাপ্লিকেশন স্ট্যাটাস এই অপশনে ক্লিক করলেই নতুন একটি পেজ ওপেন হবে। বা সরাসরি সেই পেজে যেতে ক্লিক করুন লক্ষী ভান্ডার স্ট্যাটাস চেক এই অপশনে।

৩) এরপর আপনার সামনে এপ্লিকেশন আইডি রেজিস্টার মোবাইল নম্বর স্বাস্থ্য সাথী কার্ড নাম্বার বা আধার নম্বর এগুলির মধ্যে যেকোনো একটি দিয়ে পাশে ক্যাপচার এর জায়গায় ক্যাপচার লিখে সার্চ অপশনে ক্লিক করলেই আপনি লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের সমস্ত স্ট্যাটাস (Lakshmir Bhandar Status Check) দেখতে পারবেন।
লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পে নতুন আবেদনের ক্ষেত্রে অনেককেই ২ থেকে তিন মাস অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এবং যে সমস্ত আবেদনকারীর টাকা এখনো ঢোকেনি তাদের স্ট্যাটাস আপডেট এর উপর নজর রাখতে বলা হচ্ছে অনেক ক্ষেত্রে কিছু সময় অপেক্ষা করার পর ভ্যালিডেশন স্ট্যাটাস সাকসেস স্ট্যাটাস দেখাচ্ছে এক্ষেত্রে নিশ্চিত যে মাসে টাকা ছাড়া হলেই উপভোক্ত তারা টাকা পাবেন। Lakshmir Bhandar Status Check
Questions related to Lakshi Bhandar / লক্ষীর ভান্ডার সম্পর্কিত প্রশ্ন
•🔥 নিবন্ধটি ভালো লাগলে অবশ্যই বন্ধু বান্ধবের সাথে শেয়ার করুন। এছাড়াও বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প সম্পর্কে সবার আগে জানার জন্য wbsainblog.com আমাদের ওয়েবসাইটে নিয়মিত প্রবেশ করুন। 🔥
✅🔥 আরো গুরুত্বপূর্ণ ওয়েবসাইট 🔥✅
✅ সেরা রান্নার রেসিপি ওয়েবসাইট
✅ অনলাইনে পণ্য কেনাকাটার জন্য সেরা ওয়েবসাইট
✅ 🔥 এইরকম নিত্যনতুন বিভিন্ন ধরনের সরকারি প্রকল্প চাকরি শিক্ষা ও স্কলারশিপ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ও টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হতে পারেন।🔥✅


